June 14, 2024, 7:33 pm
শিরোনাম :
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে পশুর হাটের সার্বিক আইন – শৃঙ্খলা রক্ষার্থে মতবিনিময় সভা সম্পন্ন পিবিআই এর দৃঢ়তায় মানবপাচারকারী এর হাত থেকে ভিকটিম উদ্ধার, আটক -৩: ভিন্ন আঙ্গিকে নবাবগঞ্জ উপজেলা হিন্দু ছাত্র মহাজোট এর শরবত ও স্যালাইন বিতরণ কর্মসূচি এলজিইডি এর মূল্যায়নে শ্রেষ্ঠ ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন এম এ বারী বাবুল মোল্লা নরসিংদীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ২ পক্ষের টেঁটাযুদ্ধ আন্তর্জাতিক মা দিবস উপলক্ষে BHDS অপরাধ প্রতিরোধ কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে আলোচনা ও গুণীজন সম্মাননা প্রদান নরসিংদীর রায়পুরায় ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীকে পিটিয়ে হত্যা ব্যবিচারে লিপ্ত থাকায় আবাসিক হোটেল থেকে নারী – পুরুষ গ্রেফতার -২ নবাবগঞ্জের শোল্লায় এক শিশুকে হত্যার অভিযোগে ২ জন গ্রেফতার রুগঞ্জে জালভোট দেওয়ার সময় ২ যুবক আটক:

সোনারগাঁও একটি ঐতিহাসিক ও পর্যটন এলাকা হিসেবে বিখ্যাত :

তানজিলা তানজু, নিজস্ব প্রতিনিধি

সোনারগাঁও বর্তমানেও একটি ঐতিহাসিক  পর্যটন  এলাকা হিসেবে  পরিচিত। সোনারগাঁও  ছিল বাংলার মুসলিম শাসকদের অধীনে পূর্ববঙ্গের একটি প্রশাসনিক কেন্দ্র। এটি বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ জেলার একটি উপজেলা। এর অবস্থান ঢাকা থেকে ২৭ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে। মধ্যযুগীয় নগরটির যথার্থ অবস্থান নির্দেশ করা কঠিন। বিক্ষিপ্ত নিদর্শনাদি থেকে প্রতীয়মান হয় যে, এটি পূর্বে মেঘনা, পশ্চিমে শীতলক্ষ্যা, দক্ষিণে ধলেশ্বরী ও উত্তরে ব্রহ্মপুত্র নদ দ্বারা বেষ্টিত একটি বিস্তৃত জনপদ ছিল। বড় সরদার বাড়ি যা ঈশা খাঁর জমিদার বাড়ি হিসাবেও পরিচিত, সোনারগাঁও
সোনারগাঁও বাংলার ঐতিহাসিক অঞ্চলের অন্যতম প্রাচীন রাজধানী এবং পূর্ব বাংলার একটি প্রশাসনিক কেন্দ্র ছিল। এটি একটি নদী বন্দরও ছিল। তাঁতি ও কারিগরদের বিশাল জনসংখ্যার সাথে বাংলার মসলিন বাণিজ্যের কেন্দ্রবিন্দু ছিল সোনারগাঁও। প্রাচীন গ্রীক ও রোমান বিবরণ অনুসারে, এই পশ্চাদভূমিতে এম্পোরিয়াম বা বাণিজ্যিক কেন্দ্র অবস্থিত ছিল, যা প্রত্নতাত্ত্বিকরা ওয়ারী-বটেশ্বর ধ্বংসাবশেষের সাথে সনাক্ত করেছেন। অঞ্চলটি বঙ্গ, সমতট, সেন এবং দেব রাজবংশের একটি ঘাঁটি ছিল।
দিল্লি সালতানাতের সময় সোনারগাঁও গুরুত্ব লাভ করে। এটি ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ এবং তার পুত্র ইখতিয়ারউদ্দিন গাজী শাহ দ্বারা শাসিত সালতানাতের রাজধানী ছিল। এখানে রাজদরবার এবং বাংলা সালতানাতের টাকশাল এবং গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে বঙ্গীয় সালতানাতের রাজধানীও ছিল। এসময় সোনারগাঁও বাংলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জনপদে পরিণত হয়। অনেক অভিবাসী ওই এলাকায় বসতি স্থাপন করে। সুলতানরা মসজিদ ও সমাধি নির্মাণ করেন। পরে এটি বারো-ভূঁইয়ার ঈসা খান এবং তার পুত্র মুসা খানের নেতৃত্বে মুঘল সম্প্রসারণকে প্রতিহত করেছিল। বারো ভূইয়াদের পরাজয়ের পর সোনারগাঁও মুঘল সুবাহ বাংলার একটি জেলায় পরিণত হয়।
ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনামলে, বণিকরা পানাম পাড়ায় অনেকগুল ইন্দো-সারাসেনিক টাউনহাউস তৈরি করেছিল। ১৮৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত নিকটবর্তী নারায়ণগঞ্জ বন্দরের মাধ্যমে এর গুরুত্ব শেষ হয়ে যায়।
ঐতিহাসিক গুরুত্ব কররানী রাজবংশ এর প্রথম নবাব তাজ খান কররানী এর সময়কালে এটি ছিল সাম্রাজ্যের রাজধানী।
উল্লেখযোগ্য নিদর্শন ঈশা খাঁর রাজধানী ছিল সোনারগাঁও।ঈশা খাঁর স্ত্রী সোনাবিবির নামে সোনারগাঁও এর নামকরণ করা হয়।
এখানে সোনাবিবির মাজার, পাঁচবিবির মাজার, গিয়াস উদ্দিন আযম শাহের সমাধি, ইব্রাহীম দানিশমান্দ-এর দরগা ইত্যাদি নানারকম স্থাপনা রয়েছে।সোনারগাঁও-এ শিল্পাচার্য জয়নুল লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর অবস্থিত।
পানাম নগর – এই এলাকাটি ১৯শ শতকে সোনারগাঁওয়ের উচ্চবিত্ত ব্যবসায়ীদের বাসস্থান ছিলো। এখানে মসলিন কাপড় ব্যবসায়ীরা বাস করতেন। এখানকার সুদৃশ্য বাড়িগুলো এখন ধ্বংসের মুখে রয়েছে। এটি একটি পর্যটন কেন্দ্র এবং সারাবছর অনেক মানুষ এখানে বেড়াতে আসে।এই স্হানটি ইতিহাসের  কালের সাক্ষী  হয়ে

আমাদের  মাঝে ইতিহাসের  নৈপুণ্য  প্রদর্শন  করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা

Categories